The news is by your side.

সড়ক নির্মাণকে কেন্দ্র করে গোষ্ঠী কেন্দ্রিক দ্বন্দ্ব

স্থানীয় মেম্বারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ

0

স্থানীয় একটি সড়ক নির্মাণকে কেন্দ্র করে গোষ্ঠীকেন্দ্রিক দ্বন্দ্ব। এই দ্বন্দ্বকে কাজে লাগিয়ে আসন্ন ইউপি নির্বাচনের আগেই প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার হীন উদ্দেশ্যে পশ্চিম আলদীর মুজিবুর দেওয়ান বাড়িঘর ভাংচুর ও চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগ করেছে স্থানীয় মেম্বার জাকির হোসেন ও তার আত্মীয় রাকিব হালদার (২৪), আবু কালাম (২৮), রিপন হালদার (২৬), নাঈম হালদার (১৯)সহ অজ্ঞাতনামা আরো ৩/৪ বিরুদ্ধে টঙ্গিবাড়ী থানায়। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভাংচুরের বিষয়ে তাদের সংশ্লিষ্টতা ও চাঁদাবাজির ঘটনা পায়নি বলে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলাটি আমলে নেয়নি টঙ্গিবাড়ী থানা পুলিশ। এসব ঘটনা ঘটে গত ৩ এপ্রিল টঙ্গিবাড়ী উপজেলার পশ্চিম আলদী।

গতকাল সোমবার ৫ এপ্রিল বিকেলে ঘটনাস্থলে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, অরুন তালুকদার, রাজা তালুকদার ও নজরুল ইসলাম তালুকদারের জমির উপর দিয়ে মুজিবুর দেওয়ানের বাড়িতে যাওয়ার রাস্তা নির্মাণ করছেন নিজ অর্থায়নে। জমির ভাগ ভাটোয়ারা না হওয়া পর্যন্ত রাস্তা নিতে দেওয়া হবে না এই মর্মে রাজা তালুকদার এ বিষয়ে দিঘীরপাড় ফাঁড়িতে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

এ বিষয়ে দিঘিরপাড় ফাঁড়ির আইসি ইন্সপেক্টর জুয়েল ও তদন্ত কর্মকর্তা এস আই বিজয় কয়েক দফা বিষয়টি তদন্ত করেন এবং উভয় পক্ষকে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। ভাগ ভাটোয়ারা না হওয়া পর্যন্ত কোন রাস্তার কাজ হবে না বলে সিদ্ধান্ত দেন। যাতে রাস্তার কোন কাজ মজিবর আর না করে। এসময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে ৫নং ওয়ার্ড মেম্বার জাকির হোসেনকে দায়িত্ব দেয়া হয় ভেকুর কাজ বন্ধ রাখার জন্য। পরে আবার রাস্তার কাজ চালু করলে রাজা তালুকদার এসআই বিজয়ের কাছে অভিযোগ করেন ভেকু দিয়ে রাস্তার কাজ করা হচ্ছে। এসআই বিজয়ের নির্দেশে ভেকুর মালিক নয়নকে কাজ করতে নিষেধ করেন মেম্বার জাকির। পরে মেম্বার জাকির নয়নকে ভেকুর কাজ বন্ধ রাখার বিষয়টি জানিয়ে বাড়িতে চলে আসে। এসময় কোনো রকম ভাংচুর ও চাঁদা দাবীর ঘটনা ঘটেনি।

পরবর্তীতে মেম্বার জাকির হোসেন, রাকিব হালদার (২৪), আবু কালাম (২৮), রিপন হালদার (২৬), নাঈম হালদার (১৯)সহ অজ্ঞাতনামা আরো ৩/৪ বিরুদ্ধে চাঁদাবাজীর একটি মিথ্যা ঘটনা রটনা করেন মুজিবুর। সেই ঘটনা জিজ্ঞাসা করার জন্য পরে আবার চেয়ারম্যান নুর হোসেন বেপারী, প্যানেল চেয়ারম্যান ও কাঠাদিয়া-শিমুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান বেপারী, জাকির মেম্বার ও দিঘীরপাড় ফাঁড়ির আইসি জুয়েল ও এস.আই বিজয় ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করেন। তদন্তশেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো সত্যতা খুঁজে পাননি। পুলিশ পরে স্থানীয় চেয়ারম্যান নুর হোসেন বেপারী ও প্যানেল চেয়ারম্যান ও কাঠাদিয়া-শিমুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান বেপারীকে বিষয়টি মিমাংসা করার জন্য দায়িত্ব দেন। দায়িত্বরতরা জানান, সোমবার ৫ তারিখ সবাই মিলে বসে বিষয়টি মিমাংসা করে দিবে। 

এ বিষয়ে প্যানেল চেয়ারম্যান ও ইউনয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান জানান, ঘরের ভাংচুরের বিষয় জানতে গেলে তার কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি। ৩-৪টি ঘরের মহিলাদের জিজ্ঞাসা করেও এর কোন সদুত্তর পাওয়া যায়নি।

জাকির মেম্বার বলেন, সামনে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। আমি যাতে আসন্ন ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে না পারি সেজন্য আমার বিরুদ্ধে যারা অবস্থান নিয়ে তাদের সাথে যোগসাজস করে মজিবুর দেওয়ান আমার ও আমার আত্মীয় স্বজনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে থানায় অভিযোগ করেছে।

ইউপি চেয়ারম্যান মো: নুর হোসেন বেপারী জানান, ৩ এপ্রিল সকাল সাড়ে দশটায় ইছব বেপারী ফোন দিয়ে জানায়, মুজিবুর দেওয়ানের বাড়িঘর ভাংচুর করছে রাজার নেতৃত্বে রাকিব ও কালাম। রাজার নেতৃত্বে পরবর্তীতে আমরা ৬-৭ জন ও এসআই বিজয়কে নিয়ে মজিবুরের বাড়িতে যাই এবং তার জানালার থাই গøাসের এক পাট ভাংচুর করা। ঘটনাটির কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে হাতি মারা ফাঁড়ির ইনচার্জ জুয়েল জানান, বিষয়টি তদন্ত করা হয়েছে। ভাংচুরের সত্যতা পাওয়া যায়নি। তবে আরো তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাছাই বাছাই করে দেখা হচ্ছে।

এ বিষয়ে টংগীবাড়ির ওসি হারুন অর রশিদকে ফোন দিলে তিনি প্রতিনিধির নাম্বারটি বøক করে দেন। তাকে ফোন দিলে আর তার নাম্বারে ফোন যায় না।

Leave A Reply

Your email address will not be published.