ভারতের বিখ্যাত পত্রিকা ডেইলি হান্টে কবি এ কে সরকার শাওনের সাক্ষাৎকার

কবিতা, কথাসাহিত্য ও জীবনের নানা বাঁকেকবি ও কথাসাহিত্যিক এ কে সরকার শাওনের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকার

কবিতা, কথাসাহিত্য ও জীবনের নানা বাঁকে কবি ও কথাসাহিত্যিক এ কে সরকার শাওনের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকার

Wiki Kolkata1 day ago

বাংলা সাহিত্যচর্চার দীর্ঘ পথচলায় কিছু মানুষ নীরবে নিজের মতো করে লিখে যান। তাঁদের কাছে সাহিত্য শুধু প্রকাশের মাধ্যম নয়, বরং জীবনকে দেখার একটি নিজস্ব পদ্ধতি। কবি ও কথাসাহিত্যিক এ কে সরকার শাওন তেমনই একজন। দীর্ঘ ৪৮ বছরের সাহিত্যচর্চায় কবিতা, গল্প, উপন্যাস, গান, টেলিফিল্মের চিত্রনাট্য এবং কলাম লেখায় তিনি যুক্ত থেকেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁর উপস্থিতি আলাদা। ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব কিংবা লিংকড-ইনে তাঁর লেখার শুরুতে প্রায়ই থাকে লিমেরিক বা পঞ্চপদী ছড়া। তাঁর কবিতায় প্রেম ও রোমান্টিকতার পাশাপাশি সমাজ ও সমকাল নিয়ে ব্যঙ্গ, প্রশ্ন এবং পর্যবেক্ষণের উপস্থিতিও দেখা যায়।

তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে কথা-কাব্য, নীরব কথপোকথন ও আপন-ছায়া। প্রকাশিত উপন্যাস অতল জলে জলাঞ্জলি।

সম্প্রতি উইকি কলকাতার পাঠকদের জন্য কবির সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় বসেছিলেন বাংলাদেশের ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির শিক্ষার্থী ও প্রতিনিধি মোঃ শিথিল ইসলাম।

“এ কে-এর পূর্ণ রূপ আবদুল কাদের”

শিথিল ইসলাম: মিডিয়াতে আপনাকে এ কে সরকার শাওন নামে জানে। এ কে-এর পূর্ণ রূপ কী? আপনার পুরো নামটি পাঠকদের বলবেন?

এ কে সরকার শাওন: এ কে-এর পূর্ণ রূপ আবদুল কাদের। আমার দালিলিক নাম মোঃ আবদুল কাদের। ‘সরকার’ আমাদের বংশীয় উপাধি। আর ‘শাওন’ আমার ডাকনাম, যা আমি নিজেই রেখেছি। সিপিবি করতে গিয়ে ‘কমরেড এ কে সরকার শাওন’ নামটি ধারণ করি। লেখালেখি ও সাহিত্যে সেই নামই অব্যাহত রয়েছে।

শৈশবের স্মৃতিতে নদী, প্রকৃতি ও গ্রাম

শিথিল ইসলাম: আপনার জন্মস্থান এবং পিতা-মাতা সম্পর্কে কিছু বলুন।

এ কে সরকার শাওন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের সরকার বাড়ির ‘ছায়ানীড়’-এ ১৯৬৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি আমার জন্ম। আমার বাবার নাম প্রয়াত আবদুল গনি সরকার এবং মায়ের নাম সালেহা গনি সরকার। আমার বাবা দুইবার বিজয়ী বীর ছিলেন—দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং ১৯৭১ সালে। তিনি ১৯৩৯ সালে ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং সার্জেন্ট হিসেবে ইএমই কোরের প্রশিক্ষক ছিলেন।

শিথিল ইসলাম: আপনার ছেলেবেলাটা কেমন কেটেছে?

এ কে সরকার শাওন: খরস্রোতা তিন নদীর মিলনস্থল, সবুজ মাঠ আর প্রকৃতির সাহচর্যে ঝালকাঠি শহরে আমার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে। সুগন্ধা, বাসন্ডা, গাবখান চ্যানেল ও ধানসিঁড়ি নদীর বাঁকে বাঁকে আমার ছেলেবেলা লুকিয়ে আছে।

আমার গ্রামের অবস্থানও অসাধারণ। পশ্চিমে যমনাই নদী, পশ্চিম-উত্তরে মেঘনা নদী, উত্তরে ভাঁটা নদী এবং তারও উত্তরে গোপালপুরের বিল। এই জলাভূমির সৌন্দর্য আমাকে কবিতা লিখতে অনুপ্রাণিত করেছে।

সপ্তম শ্রেণিতে কবিতার শুরু

শিথিল ইসলাম: কবিতা লেখার শুরুটা কবে থেকে?

এ কে সরকার শাওন: ঝালকাঠি শহরের উদ্বোধন হাইস্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় প্রথম কয়েকটি লিমেরিক লিখি। সেগুলো সম্ভবত একটি স্থানীয় দেয়াল পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।

প্রকাশিত ও অপ্রকাশিত গ্রন্থ

শিথিল ইসলাম: এখন পর্যন্ত আপনার কতগুলো গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে?

এ কে সরকার শাওন: আমার প্রকাশিত গ্রন্থ চারটি। তিনটি কবিতার বই—কথা-কাব্য, নীরব কথপোকথন ও আপন-ছায়া। আমার একমাত্র প্রকাশিত উপন্যাসের নাম অতল জলে জলাঞ্জলি। এছাড়া আমার অটোফিকশন উপন্যাস শাওনাজ আইল্যান্ড বর্তমানে প্রকাশনার টেবিলে রয়েছে।

শিথিল ইসলাম: আপনার অপ্রকাশিত গ্রন্থ কতটি?

এ কে সরকার শাওন: ১৫টি। এর মধ্যে রয়েছে উপন্যাস, কাব্যগ্রন্থ ও গল্পগ্রন্থ। উপন্যাসের মধ্যে মস্তিষ্কে মহাকাশ, যার ইংরেজি সংস্করণ Metacosm Of Mind, এবং বাঁশফুল। কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে চেয়ার ও চোর, প্রলয়-প্রলাপ, প্রণয়-প্রলাপ, সজনী, আলো-ছায়া, প্রান্তিক-প্রান্তরে, বাঁশী-ওয়ালা, ঋতুরং, বাঁকা চাঁদের হাসি এবং ইংরেজি কাব্যগ্রন্থ Songs Of Insane।

গল্পগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে মোমের শেষ শিখা, মেক আপ বক্স ও নিশুতি রাতের সংলাপ। এছাড়া Layla: The Modern Ruth, আমার জীবন নদীর বাঁকে বাঁকে এবং The Areology of Romance নিয়ে কাজ চলছে।

প্রেমের কবিতা থেকে সমাজের ব্যঙ্গ

এ কে সরকার শাওনের কবিতায় প্রেম, প্রকৃতি ও আবেগের পাশাপাশি সামাজিক পর্যবেক্ষণও রয়েছে। কথা-কাব্য, নীরব কথপোকথন কিংবা বিধি নিবে শোধ-এর মতো কবিতায় প্রেম ও অনুভূতির প্রকাশ পাওয়া যায়। অন্যদিকে চেয়ার ও চোর এবং প্রলয়-প্রলাপ-এর কবিতায় দেখা যায় সমাজ ও মানুষের আচরণ নিয়ে তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ।

শিথিল ইসলাম: আমরা জানি আপনি একজন রোমান্টিক কবি। তবে চেয়ার ও চোর এবং প্রলয়-প্রলাপ থেকে আপনার কিছু কবিতায় বেশ ভিন্ন সুর দেখা যায়।

এ কে সরকার শাওন: আমার লেখায় বিভিন্ন ধরনের বিষয় এসেছে। সমাজ ও মানুষের আচরণ নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক লেখাও তার একটি অংশ।

“আমার কবিতা হরহামেশাই কপি হচ্ছে”

শিথিল ইসলাম: আপনি প্রায়ই অভিযোগ করেন যে আপনার কবিতা কপি হয়। এ বিষয়ে কিছু বলবেন?

এ কে সরকার শাওন: কপি নিয়ে অভিযোগ ও আক্ষেপের শেষ নেই। আমার কবিতা হরহামেশাই কপি হচ্ছে। একেকবার ৫০-৬০টি স্ক্রিনশট ফেসবুকে দিই। ধার্মিক থেকে অধ্যাপক—অনেকে আমার কবিতা কপি করেন। বিশেষ করে আমার ঋতুবিষয়ক কবিতাগুলো ব্যাপকভাবে কপি হয়। সেই দুঃখেই কবিতা লেখা কমিয়ে কথাসাহিত্যিক ও কলামিস্ট হয়েছি।

পরিবার ও সাহিত্যচর্চার অনুপ্রেরণা

শিথিল ইসলাম: আপনার লেখালেখির প্রেরণা কারা?

এ কে সরকার শাওন: আমার পরিবারে আমার শিক্ষাবিদ ও সাহিত্য সমালোচক স্ত্রী নাজমা আশেকীন শাওন, বন্ধু-বান্ধবী এবং আমার তিন রাজকন্যা আমাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছেন। আমার মেঝো রাজকন্যা এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ার ও আঁকিয়ে কামরুন সালেহীন তৃনা আমার পাঁচটি গ্রন্থের প্রচ্ছদ এঁকেছেন।

এছাড়া সাংবাদিক মহিউদ্দিন সরকার, জাগো নিউজের সম্পাদক কে এম জিয়াউল হক, দৈনিক বাংলাদেশের আলোর সম্পাদক মফিজুর রহমান খান বাবু এবং মাছরাঙা টেলিভিশনও আমাকে উৎসাহ দিয়েছে।

‘সজনী’, ‘কানিজ’, ‘নাজ’—কারা?

শিথিল ইসলাম: আপনার লেখায় জগলু জাট, সজনী, কানিজ, নাজ—এমন কয়েকটি নাম প্রায়ই দেখা যায়। এরা কারা?

এ কে সরকার শাওন: ঐ যে বললাম, কপি। কবিতাটি বা লেখাটি আমার লেখা—এটা প্রমাণ করতেই লেখার মধ্যে উল্লেখিত নামগুলো ঢুকিয়ে দিই। এরা আমার কবিতা ও গল্পের চরিত্র মাত্র।

শিথিল ইসলাম: সজনী কে? যাঁকে আপনি আপনার প্রথম কাব্যগ্রন্থ কথা-কাব্য উৎসর্গ করেছেন?

এ কে সরকার শাওন: আমি আমার লেখা হৃদয়েশ্বরী কবিতায় বলেছি—

“আমিই কি আসলেই জানি!
কে সেই হৃদয়েশ্বরী?
মন ছুঁয়ে যাওয়া,
মনোরাজ্যের সেই অপ্সরী!”

কবিতা থেকে গান, টেলিফিল্ম

এ কে সরকার শাওনের সৃজনশীলতার পরিধি কবিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। গান এবং টেলিফিল্মের স্ক্রিপ্টও লিখেছেন তিনি।

শিথিল ইসলাম: আপনি গান লিখেছেন, টেলিফিল্মের স্ক্রিপ্টও লিখেছেন। কিছু নাম বলবেন?

এ কে সরকার শাওন: আমার লেখা গীতিকবিতা ১৯৮৫ সালে প্রথম বাংলাদেশ বেতারে প্রচারিত হয়। বাংলাদেশ টেলিভিশনে আমার লেখা গান প্রথম সম্প্রচারিত হয় ১৯৮৮ সালে। আমার লেখা কয়েকটি গানের প্রথম কলি হলো—‘নীড় থেকে দূরে বহু দূরে’, ‘জীবনে যখন তুমি এলে না’, ‘আমার তিনটি মা যেন সোনার প্রতিমা’, ‘যদি আনমনে কোনক্ষণে’, ‘সজনী সজনী সজনী তোমার ভালোবাসায় আমি রিক্ত ঋণী’, ‘আমার সব কথা মরে গেছে হায়’ ইত্যাদি।

বিভিন্ন বেসরকারি চ্যানেলে আমার লেখা আদর্শলিপি, শুটিং, পরিবর্তন, আংটিসহ কয়েকটি টেলিফিল্ম প্রচারিত হয়েছে।

গানও করেন এ কে সরকার শাওন

শিথিল ইসলাম: আপনি তো গানও করেন। স্টার মেকারে কুমার সানুর সঙ্গে আপনার ডুয়েট গান করার বিষয়টিও দেখেছি।

এ কে সরকার শাওন: তা নিতান্তই শখের বশে। স্টার মেকারে আমার অবস্থান অনেক উপরে। শুধু কুমার সানু নয়, নেহা কাক্কার, শ্রদ্ধা কাপুর, রিনি চান্দ্রা, অঞ্জলি শর্মাসহ আরও কয়েকজনের সঙ্গে ডুয়েট গান করেছি।

সাহিত্যিক অনুপ্রেরণা

শিথিল ইসলাম: বাংলা সাহিত্যে কারা আপনাকে অনুপ্রেরণা দেন?

এ কে সরকার শাওন: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, সুকান্ত ভট্টাচার্য, সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, জীবনানন্দ দাশ, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং আমার বাবা মরহুম আবদুল গনি সরকার।

শিক্ষা ও কর্মজীবন

এ কে সরকার শাওনের শিক্ষাজীবন ও কর্মজীবনও বেশ বৈচিত্র্যময়। ১৯৮৩ সালে নবীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ১৯৮৫ সালে নবীনগর সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর বিমান বাহিনীর এয়ারমেন ট্রেনিং ইনস্টিটিউট থেকে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে সহযোগী প্রকৌশলীর সনদ এবং থাইল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব অ্যাসাম্পশন থেকে তথ্যপ্রযুক্তিতে ডিপ্লোমা অর্জন করেন। তিনি আইনে স্নাতকও।

কর্মজীবনের শুরুতে ১৯৮৭ সালে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে যোগ দেন। প্রশিক্ষণ শেষে মিগ-২১ ও এফ-৭এমবি ফাইটার বিমানের রেকটিফিকেশন ও ইন্সপেকশন সেকশনে কাজ করেন। পরে এয়ারমেন ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিমান বাহিনী থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নেওয়ার পর দেশের কয়েকটি শিল্পগোষ্ঠীতে প্রশাসনিক ও প্রকৌশল-সংক্রান্ত বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন।

‘বাংলা এক্সপ্রেস’ পুরস্কারের স্মৃতি

শিথিল ইসলাম: সাহিত্যে আপনি কলকাতার ‘বাংলা এক্সপ্রেস’ পুরস্কার পেয়েছেন। এ বিষয়ে কিছু বলবেন?

এ কে সরকার শাওন: ২০২১ সালে কলকাতার বাংলা এক্সপ্রেসের সম্পাদক রাজু ভাই আমাকে একটি কবিতা ও একটি আর্টিকেল জমা দিতে বলেন। আমি বাঁকার বাঁকে বাঁকে কবিতা এবং সাহিত্য ও কবিতার কথা আর্টিকেল জমা দিই। বিচারকদের বিচারে আমি সেরা হই। তবে পুরস্কার আনতে যেতে পারিনি। পরে ২০২৩ সালে তিনি ঢাকায় এসে হঠাৎ আমার বাড়িতে এসে আমাকে ক্রেস্ট ও উপহার দিয়ে যান।

পরিবার

১৯৯১ সালের ৫ জুলাই এ কে সরকার শাওন বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন নাজমা আশেকীন শাওনের সঙ্গে। তাঁদের তিন কন্যা। সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তাঁর তিন কন্যা বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধাবৃত্তি নিয়ে পড়াশোনা করছেন।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা?

শিথিল ইসলাম: সাহিত্য নিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?

এ কে সরকার শাওন: অনেক বৃহৎ পরিকল্পনা ও ইচ্ছে আছে। সত্যি হওয়ার সম্ভাবনা কম, তাই প্রকাশ করছি না।

নবীন লেখকদের জন্য বার্তা

শিথিল ইসলাম: নবাগত কবিদের জন্য আপনার কোনো উপদেশ বা বার্তা আছে?

এ কে সরকার শাওন: কবি সুনির্মল বসুর মতো আমিও বলি, আমি চির নবাগত, চির শিক্ষানবিশ। উপদেশ দেওয়ার ধৃষ্টতা দেখাব না। তবে আমার লেখা টেলিফিল্ম আদর্শলিপি-র একটি সংলাপ বলতে চাই—“লিখতে গেলে বুঝতে হয়, বুঝতে গেলে পড়তে হয়, পড়তে গেলে শিখতে হয়, শিখতে গেলে বুদ্ধিমত্তা খাটিয়ে ধৈর্য ধরতে হয়। তবেই আসে সফলতা, তবেই আসে জয়।”

সাক্ষাৎকারের শেষ পর্যায়ে এ কে সরকার শাওন উইকি কলকাতার পাঠকদের ও সম্পাদককে শুভেচ্ছা জানান এবং উইকি কলকাতার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।

সাক্ষাৎকার গ্রহণ ও প্রতিবেদন:
মোঃ শিথিল ইসলাম
ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং
ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি, গাজীপুর, বাংলাদেশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *